আজকের দিন তারিখ ৭ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয় প্রমোদ মানকিন ছিলেন সরল মানুষ : প্রধানমন্ত্রী

প্রমোদ মানকিন ছিলেন সরল মানুষ : প্রধানমন্ত্রী


পোস্ট করেছেন: admin | প্রকাশিত হয়েছে: জুন ১, ২০১৬ , ৭:১৮ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়


PMকাগজ অনলাইন প্রতিবেদক: কিছু মানুষের মুত্যু সমাজের জন্য অপুরনীয় ক্ষতি হয়। প্রমোদ মানকিন ছিলেন সহজ, সরল স্বভাবের একজন ভালো মানুষ। তিনি খুব সংস্কৃতিমনা ও অত্যন্ত অমায়িক মানুষ ছিলেন বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে একথা বলেন তিনি। বিকেল ৫টায় ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে অধিবেশন পরিচালনার জন্য ৫ সদস্যর সভাপতিম-লীর প্যানেল ঘোষণা করা হয়। এ তালিকায় আছেন অধ্যাপক আলী আশরাফ, এবিএম তাজুল ইসলাম, ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল, ফখরুল ইমাম ও সানজিদা খানম। পরে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিনের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ ও অন্যান্যরা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে বলেন, ‘প্রমোদ মানকিন নিজের নির্বাচনী এলাকায় খুব জনপ্রিয় ছিলেন। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবার কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা ছিলো। দলের জন্য তিনি ছিলেন একজন নিবেদিত প্রাণ। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি গড়ে তোলায় তিনি বিশেষ অবদান রেখেছেন। মৃত্যুর কিছুদিন আগে থেকে তিনি চিকিৎসা নিতে চাইতেন না। বিদেশ থেকে দেশে ফিরতে চেয়েছিলেন। আমি যখন শুনলাম তখন তাকে বলেছিলাম আপনি চিকিৎসা নেন। আগে সুস্থ্য হোন তারপর কাজ করতে পারবেন। সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি মানুষের সেবা করেছেন অক্লান্তভাবে।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘দুইবার মন্ত্রী থাকা অবস্থায় তিনি অত্যন্ত সততা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে আমরা দলের একজন একনিষ্ঠ নেতা হারিয়েছি। প্রত্যেক নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ তার প্রতি অগাধ আস্থা রেখেছেন। এ ধরনের জনসেবক পাওয়া সত্যিই খুব কঠিন। একজন রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক হিসেবে যা যা গুণ থাকা দরকার তার সবটাই তার মধ্যে ছিলো। তার মৃত্যুতে আমার দলের যে ক্ষতি হলো তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।’ প্রধানমন্ত্রী তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে সর্বসম্মতিক্রমে শোক প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।

এর আগে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেন বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, শিরীন আখতার, ড. আবদুর রাজ্জাক, কাজী ফিরোজ রশীদ, এম এ মান্নান, মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন, ডা. আমানউল্লাহ, মশিউর রহমান রাঙ্গা ও আবদুল মতিন।