আজকের দিন তারিখ ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার, ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয় সবকটি জেলাতেই চিকিৎসকের পদ ফাঁকা রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সবকটি জেলাতেই চিকিৎসকের পদ ফাঁকা রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী


পোস্ট করেছেন: Dinersheshey | প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ১৭, ২০২০ , ১২:৫২ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়


দিনের শেষে ডেস্ক : গতকাল সংসদে সরকারি দলের এমপি মামুনুর রশীদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, দেশের সবকটি জেলাতেই চিকিৎসকের পদ ফাঁকা রয়েছে। সবচেয়ে বেশি পদ ফাঁকা ঢাকায় ৩ হাজার ১৮৫টি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, দেশে চিকিৎসকের ১১ হাজার ৩৬৪টি পদ শূন্য রয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘৩৮তম বিসিএসের মাধ্যমে ২৯০ জন, ৪০তম বিসিএসের মাধ্যমে ২৬০ জন, ৪১তম বিসিএসের মাধ্যমে ১০০ জন, ৪২তম বিসিএসের মাধ্যমে ২ হাজার চিকিৎসকের শূন্যপদ পূরণের কার্যক্রম চলমান আছে’। মন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় ৩ হাজার ১৮৫টি পদ, ফরিদপুরে ২৭৮, গাজীপুরে ১২৫, গোপালগঞ্জে ২৮৩, কিশোরগঞ্জে ২৩৭, মাদারীপুরে ৪২, মানিকগঞ্জে ২১৪, মুন্সিগঞ্জে ৯১, নারায়ণগঞ্জে ৫৩, নরসিংদী ৫২, রাজবাড়ীতে ৭৪, শরীয়তপুরে ৭৮, টাঙ্গাইলে ৯০, জামালপুরে ১৫৬, ময়মনসিংহে ৩১১, নেত্রকোনায় ১২০, শেরপুরে ৪৭, বান্দরবনে ৪২, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৭৫, চাঁদপুরে ৫৬, চট্টগ্রামে ৩৪৬, কুমিল্লায় ২২৬, কক্সবাজারে ১৩৪, ফেনীতে ৪৮, খাগড়াছড়িতে ৩৭, লক্ষ্মীপুরে ৩৪, নোয়াখালীতে ৯৮, রাঙ্গামাটিতে ৬০, বগুড়ায় ২৬৫, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫০, দিনাজপুরে ৩৩৩, গাইবান্ধায় ৭৬, জয়পুরহাটে ৬১, কুড়িগ্রামে ৯০, লালমনিরহাটে ৬৪, নওগাঁয় ১১৯, নাটোরে ৪৯, নীলফামারীতে ১২৫, পাবনায় ১২৪, পঞ্চগড়ে ৭৬, রাজশাহীতে ২৩৩, রংপুরে ২৬১, সিরাজগঞ্জে ১৬১, ঠাকুরগাঁওয়ে ৭৩, বাগেরহাটে ১২৪, চুয়াডাঙ্গায় ২১, যশোরে ১২৩, ঝিনাইদহে ৭৭, খুলনায় ৩৯৬, কুষ্টিয়ায় ১০৭, মাগুরায় ৫০, মেহেরপুরে ৪৫, নড়াইলে ৪৯, সাতক্ষীরায় ১৬৫, বরগুনায় ৯৪, বরিশালে ৪৩৮, ভোলায় ৯২, ঝালকাঠিতে ৩৭, পটুয়াখালীতে ১৮৭, পিরোজপুরে ৭৮, হবিগঞ্জে ৫৫, মৌলভীবাজারে ৬৩, সুনামগঞ্জে ১৩১ এবং সিলেটে ৩৩১টি চিকিৎসকের পদ ফাঁকা রয়েছে।
এছাড়া করোনার নমুনা দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা করার পদ্ধতি আনার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বিএনপির সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান জাহিদ মালেক।
‘সরকার কোভিড পরীক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধি ও এ সংক্রান্ত জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে পিসিআর পরীক্ষার পাশাপাশি অন্যান্য আধুনিক ও দ্রুত সময়ে পরীক্ষার পদ্ধতি দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের হার কম হওয়ার কারণে দেশের মানুষ বেশি পরীক্ষা করতে চাচ্ছে না। এ কারণে দেশে সক্ষমতার চেয়েও দৈনিক কম সংখ্যক নমুনা সংগৃহীত হচ্ছে।’ মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ ও যুগোপযোগী নেতৃত্বে বিশ্বের হাতেগোনা কয়েকটি দেশের মতো বাংলাদেশ কোভিড-১৯ মহামারিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘সংক্রমণ শুরুর কয়েকমাসের মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ১১৫টি পিসিআর ল্যাব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। এ সকল ল্যাবে দৈনিক ২০ থেকে ২৫ হাজার পিসিআর পরীক্ষা করা সম্ভব। প্রয়োজনিয়তা সাপেক্ষে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা আরও বাড়ানো যেতে পারে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ১৩ থেকে ১৫ হাজার পরীক্ষা সম্পন্ন হচ্ছে।’