আজকের দিন তারিখ ৭ মার্চ, ২০২১, রবিবার, ২২ ফাল্গুন, ১৪২৭
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত : মাস্ক নেই তো সেবাও নেই

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত : মাস্ক নেই তো সেবাও নেই


পোস্ট করেছেন: Dinersheshey | প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ২৬, ২০২০ , ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়


দিনের শেষে প্রতিবেদক : কভিড-১৯ মহামারীর মধ্যেও দেশের অনেক মানুষই মাস্ক পরতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তবে সংক্রমণের বিস্তার রোধে মাস্ক না পরলে এবার পাওয়া যাবে না সরকারি-বেসরকারি কোনো সেবাই। গতকাল অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি মন্ত্রিসভার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ও মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা সচিবালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বৈঠকে যুক্ত ছিলেন। বৈঠক শেষে সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সর্বস্তরে, আমাদের সব প্রতিষ্ঠান—সামাজিক, সাংগঠনিক বা প্রাতিষ্ঠানিক সংস্থাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে মাস্ক নেই তো সেবাও নেই। সব প্রতিষ্ঠান, হাট, বাজার, শপিং মল, স্কুল এবং সামাজিক ও ধর্মীয় সম্মিলনে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। আমরা এটা বাধ্যতামূলক করেছি।’ খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, লোকজনকে অবশ্যই মাস্ক পরে অফিসে প্রবেশ করতে হবে—এমন বার্তা প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি অফিসের বাইরে প্রদর্শন নিশ্চিত করতে বিভাগীয় কমিশনারদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া মাস্ক পরা যে সরকারি নির্দেশ, তা নামাজের পর মুসল্লিদের দিনে অন্তত দুবার জানিয়ে দিতে মসজিদের ইমামদের বলার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গতকালের বৈঠকে মন্ত্রিসভা ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে সম্প্রতি জারি করা অধ্যাদেশের জায়গায় সংসদের মাধ্যমে আইন আনতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল, ২০২০-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদনও দিয়েছে। সংসদের অধিবেশন না থাকায় সম্প্রতি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২০ জারি করা হয়।
এদিকে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিব বর্ষ-২০২০’ উপলক্ষে একাদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের সংশোধিত খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রসঙ্গত, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে আগামী ৮ নভেম্বর সংসদের বিশেষ অধিবেশন শুরু হচ্ছে। রীতি অনুযায়ী অধিবেশনের প্রথম দিন ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি। খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এ ভাষণটি গত ২২ মার্চ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু কভিড-১৯-এর কারণে বাতিল হয়ে যায়। সেটাকে আমরা বর্তমান প্রেক্ষাপটে আরেকটু মডিফিকেশন করে দিয়েছি। মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। এ ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন, রাজনৈতিক দর্শন ও কর্মের দিকটা আলোকপাত করা হয়েছে।
এছাড়াও কভিড-১৯-এর সময়ে সরকার যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে এবং বিগত কয়েক মাস কভিড মোকাবেলা করেছি, সেগুলো উল্লেখ করা হয়েছে। কভিড পরিস্থিতির মধ্যেও সরকার ও রাষ্ট্র যে উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পেরেছে, অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছে, সেগুলো আউটলাইন করা আছে। সংবিধানের ৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি একটা ভাষণ দেন। নিয়ম অনুযায়ী মন্ত্রিসভা থেকে অনুমোদনের পর প্রধানমন্ত্রী হয়ে তা রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে।