আজকের দিন তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২ ফাল্গুন, ১৪২৭
সর্বশেষ সংবাদ
স্পোর্টস মধুর প্রতিশোধে প্রেসিডেন্টস কাপ চ্যাম্পিয়ন মাহমুদউল্লাহ একাদশ

মধুর প্রতিশোধে প্রেসিডেন্টস কাপ চ্যাম্পিয়ন মাহমুদউল্লাহ একাদশ


পোস্ট করেছেন: Dinersheshey | প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ২৬, ২০২০ , ১১:১১ পূর্বাহ্ণ | বিভাগ: স্পোর্টস


দিনের শেষে প্রতিবেদক : মামুলি স্কোর গড়ে প্রতিদিন ম্যাচ জেতা যায় না- ফাইনালে হারের পর এই চিন্তায় মন খারাপ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত’র। আর ‘আসল’ ম্যাচে এসে ব্যাটে-বলে চমৎকার পারফরমেন্সকেই সব কৃতিত্ব দিচ্ছেন বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ ক্রিকেটের চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচে হারের বদলা নেওয়া হলো সেই সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে বাড়ি ফেরা- রোববারের ফাইনাল থেকে এই দুই আনন্দ নিয়ে ফিরল মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ একাদশ। নাজমুল হোসেন একাদশের ১৭৩ রান তারা সহজেই টপকে যায়। ফাইনাল জিতে ৭ উইকেটে। মামুলি ধরনের এই স্কোরে ৬৯ বলে ৬৮ রান তুলে দলকে জয়ের কাছে পৌছে দিয়ে আউট হন লিটন দাস। টুর্নামেন্টে এই প্রথম বড় কোন রান পেলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ একাদশের এই ওপেনার। ৫৫ বলে অপরাজিত ৫৩ রান করে ইমরুল কায়েস দলের জয়টা আরো সহজ করে দেন। ১ বাউন্ডারি ও ছয় ছক্কায় সাজানো ছিল ইমরুলের এই ইনিংস। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১১ বলে হার না মানা ২৩ রান করে চ্যাম্পিয়নের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়েন। ফাইনালে হারার পর্ব মূলত তৈরি হয় নাজমুল হোসেন একাদশের ব্যাটিংয়েই। বৃষ্টির কারণে দুদিন কাভারে ঢাকা থাকা মিরপুরের উইকেটে ইরফান সুক্কুর ছাড়া দলের বাকি সবাই ব্যর্থ। প্রথম উইকেটে হারানো শুরু করা নাজমুল একাদশ কোটার পুরো ওভারও খেলতে পারেনি। স্কোরবোর্ডে তিন অঙ্কের আগেই শুরুর পাঁচ ব্যাটসম্যান আউট। ৬৪ রানে হাওয়া ৫ উইকেট! সেই স্কোর ১৭৩ রানে পৌছালো মূলত ইরফান সুক্কুরের অনবদ্য ব্যাটিংয়ে। দলের ১৭৩ রানের মধ্যে তার একার যোগাড়ই ৭৫ রান। ৭৭ বলে ২ ছক্কা ও ৮ বাউন্ডারিতে ইরফান সুক্কুরের ৭৫ রানের ইনিংস জানিয়ে দিলো জাতীয় দলে ডাক পাওয়াটা এখন তার সময়ের ব্যাপার মাত্র। পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্ম দেখিয়েছে তার ব্যাট। দল যখনই বিপদে পড়েছে, ব্যাট হাতে বুক চিতিয়ে দাড়িয়েছেন এই তরুণ। আরেক তরুণ ক্রিকেটার সুমন খানও এই টুর্নামেন্টে নিজেকে চেনালেন। ফাইনালের সেরা বোলার সুমন খান। শুরুর স্পেলেই নাজমুল একাদশের ব্যাটিং স্মম্ভ গুটিয়ে দেন এই পেসার। তুলে নেন তিন উইকেট। আর শেষের স্পেলে এসে আরো দুই উইকেট। ১০ ওভাওে ৩৮ রানে ৫ উইকেট শিকারি সুমন খান জানিয়ে দিলেন, তিনিও ‘বড় ম্যাচের’ খেলোয়াড়! দলের সিনিয়র বোলার রুবেল হোসেন পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্ম দেখালেন। ফাইনালে ৮ ওভারে ২ মেডেনসহ মাত্র ২৭ রানে ২ উইকেট তুলে নেন রুবেল। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে নাজমুল একাদশ মাত্র ১৬৫ রানের সঞ্চয় নিয়েও হারিয়েছিল তামিম ইকবাল একাদশকে। শেষের দিকের বোলিংয়ে সেই ম্যাচ নাটকীয় ভঙ্গিতে জিতিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। কিন্তু ফাইনালে তাসকিন দলের সবচেয়ে খরুচে বোলার। ৭ ওভারে ৪৫ রান খরচায় সাফল্যহীন।