আজকের দিন তারিখ ১৮ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার, ৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয় বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা শহীদ উদ্দীনের কর্নেল পদবী বাতিল

বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা শহীদ উদ্দীনের কর্নেল পদবী বাতিল


পোস্ট করেছেন: Dinersheshey | প্রকাশিত হয়েছে: মে ১০, ২০২১ , ২:৪৫ অপরাহ্ণ | বিভাগ: জাতীয়


দিনের শেষে প্রতিবেদক : আয়কর ফাঁকির মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বিতর্কিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্নেল (অব.) শহীদ উদ্দিন খানের কর্নেল পদবি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে বরখাস্তের পরিবর্তে স্বাভাবিক অবসর গ্রহণের যে আদেশ ২০০৯ সালে দেওয়া হয়েছিল, তাও বাতিল করা হয়েছে। গত ৩ মে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়। ওই প্রজ্ঞাপনের আদেশের কপি সেনা সদরসহ সংশ্নিষ্ট দফতরগুলোতেও পাঠানো হয়েছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ওয়াহিদা সুলতানা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০০৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপনে কর্নেল মো. শহীদ উদ্দীন খান (অব.) এর বরখাস্তের পরিবর্তে স্বাভাবিক অবসর সংক্রান্ত আদেশ এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০১০ সালের ২৩ মার্চ প্রজ্ঞাপনে ওই কর্মকর্তার কর্নেল পদে ভূতাপেক্ষা পদোন্নতিসহ অকালীন অবসর সংক্রান্ত আদেশ বাতিল করা হলো। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও ৩ মে জারি করা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়। বিদেশে অবস্থানরত শহীদ উদ্দীন খানের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া তিনি দেশে আয়কর ফাঁকির মামলায় ৯ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি।
গত বছরের ২০ ডিসেম্বর আয়কর ফাঁকির মামলায় শহীদ উদ্দিন খানকে ৯ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এ রায় দেন। তিন অর্থবছরে ১৭ কোটি ছয় লাখ ৪০ হাজার ১০৭ টাকা আয়কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে শহীদ উদ্দিন খানের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদালতে মামলা করেন সহকারী কর কমিশনার শেখ আলী হাসান। এই মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ২০১০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর শহীদ উদ্দিন খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
এতে বলা হয়, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল শহীদ উদ্দিন খান ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৭৪ লাখ ১৩ হাজার ৯৮৬ টাকার আয়ের তথ্য গোপন করে আয়কর ফাঁকির অপরাধ করেছেন। আর ২০১৬-১৭ অর্থবছরে শহীদ উদ্দিন খানের বিরুদ্ধে ৯ কোটি ২৫ লাখ ১২ হাজার ৬০০ টাকা আয়ের তথ্য গোপন করে আয়কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়। এছাড়াও ২০১৭-১৮ অর্থবছরে শহীদ উদ্দিন খানের বিরুদ্ধে সাত কোটি সাত লাখ ১৪ হাজার ২২১ টাকা আয়ের তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়।