আজকের দিন তারিখ ২৮শে জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার, ১৪ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লাইফ স্টাইল ঢাকার সেরা ৫ ফুচকা

ঢাকার সেরা ৫ ফুচকা


পোস্ট করেছেন: dinersheshey | প্রকাশিত হয়েছে: জুন ৯, ২০২২ , ৪:০০ অপরাহ্ণ | বিভাগ: লাইফ স্টাইল


দিনের শেষে প্রতিবেদক : জিভে জল আনা ফুচকা খেতে কে না ভালোবাসে? স্কুল কিংবা কলেজের সামনের ফুচকাওয়ালা মামার ফুচকা কমবেশি সবারই পছন্দ আমাদের। তবে আপনি ফুচকাপ্রেমী হয়ে থাকলে ঢাকার কয়েকটি দোকানের ফুচকার স্বাদ আপনাকে নিতেই হবে। জেনে নিন ঢাকার সেরা ৫ ফুচকা কোথায় পাবেন।
১। বারকোড ক্যাফে
বারকোড ক্যাফে
বারকোড ক্যাফে
বনানীর বি ব্লকে বারকোড ক্যাফে। এখানে পাওয়া যায় চমৎকার একটি ফুচকা প্ল্যাটার। ত্রিশটি মচমচে ফুচকার সঙ্গে পরিবেশন করা হয় ১০ ধরনের পুর। শুকনা মরিচ, নারকেলের চাটনি, পুদিনার চাটনি, দই, চানাচুর, কাঁচা মরিচ কুচি দিয়ে ইচ্ছে মতো বানিয়ে খেতে পারবেন এই ফুচকা। প্ল্যাটারের দাম ২৮০ টাকা।
২। ফুচকাওয়ালী
বনানী এগারো নাম্বার রোডে বিভিন্ন ধরনের ফুচকা নিয়ে রেস্টুরেন্ট ফুচকাওয়ালীর অবস্থান। ফুচকার নামেরও রয়েছে অনেক বাহার। ঢাকাইয়া ফুচকা হচ্ছে ঝাল ও টক দেওয়া ঐতিহ্যবাহী স্বাদের ফুচকা। দই ফুচকার নাম হচ্ছে মুম্বাইয়ান। পেশোয়ারি হচ্ছে গরুর মাংসের ফুচকা। বোলোনিজ ফুচকা হোয়াইট সস ও গরুর মাংস দিয়ে তৈরি। প্ল্যাটার নিলে সবগুলো ফুচকাই পাবেন দুইটা করে। দাম পড়বে ১২০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। ফুচকা ছাড়াও চটপটি, লেমোনেড ও ডেসার্ট পাবেন এখানে। দুপুর দুইটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে ফুচকাওয়ালী।
ফুচকাওয়ালী
ফুচকাওয়ালী
৩। এনায়েত ফুচকা হাউস
দুই ধরনের টক দিয়ে ফুচকা পরিবেশন করে বিখ্যাত এনায়েত ফুচকা হাউস। একটি হচ্ছে লেবু ও পুদিনার সাদা টক এবং অন্যটি তেঁতুলের টক-মিষ্টি স্বাদের টক। ১৯৯৬ সাল থেকে ফুচকা পরিবেশন করে আসছে শনিরআখড়ার এই দোকানটি। ফুচকার পাশাপাশি চটপটি, দই ফুচকা, নাচোস, কোল্ড কফিসহ আরও বেশ কিছু আইটেমের দেখা মিলবে এখানে। দুপুর বারোটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত খোলা থাকে এনায়েত ফুচকা হাউস।
এনায়েত ফুচকা হাউস
এনায়েত ফুচকা হাউস
৪। শরীয়তপুর চটপটি ও ফুচকা
ভোজনরসিকদের কাছে এখানকার ককটেল ফুচকার বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। মিরপুর দুইয়ের মণিপুর উচ্চ বিদ্যালয় বালিকা শাখার পাশে শরীয়তপুর চটপটি ও ফুচকার দোকান পেয়ে যাবেন। ৮টি ফুচকা পরিবেশন করা হয় ৪ ধরনের টক দিয়ে।
৫। জুম্মন মামার ফুচকা
পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় তারা মসজিদের পাশে জুম্মন মামার ঐতিহ্যবাহী চটপটি ও ফুচকার দোকান। বিকেল থেকেই এখানে লম্বা লাইন পড়ে যায় চটপটি ও ফুচকা খাওয়ার জন্য। তবে এখানে বসার ব্যবস্থা নেই।